ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত সরকারি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে তদানীন্তন ব্রিটিশ ভারতে অক্সব্রিজ শিক্ষা ব্যবস্থা অনুসরণে এটি স্থাপিত হয়। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। সূচনালগ্নে বিভিন্ন প্রথিতযশা বৃত্তিধারী ও বিজ্ঞানীদের দ্বারা কঠোরভাবে মান নিয়ন্ত্রিত হবার প্রেক্ষাপটে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে স্বীকৃতি পায়।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৩টি অনুষদ, ৮৩টি বিভাগ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৫৬টি গবেষণা ব্যুরো ও কেন্দ্র, ২০টি আবাসিক হল ও ৩টি ছাত্রাবাস, এবং ৭টি স্নাতক পর্যায়ের অধিভুক্ত সরকারি কলেজসহ মোট ১০৫টি অধিভুক্ত কলেজ রয়েছে। অধিভুক্ত কলেজগুলোর ভিন্ন অবকাঠামো ও কর্মকাণ্ড রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য কৃতি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেছেন, তন্মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন রাষ্ট্রপতি, ৭ জন প্রধানমন্ত্রী এবং একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। বাংলাদেশের জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এখানে পড়াশোনা করেছেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীন করতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিশেষ অবদান ছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি পদক লাভ করেছেন।এছাড়া এটি বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এশিয়া উইকের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা করে নেয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ২০২২

ইউনিটপরীক্ষার তারিখ
ক ইউনিট১০ জুন
খ ইউনিট৪ জুন
গ ইউনিট৩ জুন
ঘ ইউনিট১১ জুন
চ ইউনিট১৭ জুন

 

( ঢাবি ক ইউনিট আবেদন যোগ্যতা )

  • প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২১ সালে বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক অথবা মাদ্রাসা বাের্ডের বিজ্ঞান শাখায় পাশ করতে হবে।
  • মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (বা সমমানের) পরীক্ষার প্রতিটিতে পৃথকভাবে ৪র্থ বিষয়সহ ন্যূনতম ৩.৫ জিপিএসহ প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.৫ হতে হবে।

( ঢাবি খ ইউনিট আবেদন যোগ্যতা )

  • প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে ।
  • প্রার্থীদের মাধ্যমিক  ও উচ্চ মাধ্যমিক / সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) মোট জিপিএ হতে হবে ৮.০ । তবে উভয় পরীক্ষাতেই আলাদাভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।

( ঢাবি গ ইউনিট আবেদন যোগ্যতা )

  • প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে ।
  •  ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০ থাকতে হবে। তবে উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ন্যূনতম ৩.৫ থাকতে হবে ।

( ঢাবি ঘ ইউনিট আবেদন যোগ্যতা )

  • প্রার্থীকে অবশ্যই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, কৃষি বিজ্ঞান এর যেকোন একটি থেকে উত্তীর্ণ হতে হবে ।
  • উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় কোন বিষয়ে ‘বি’ গ্রেড (গ্রেড পয়েন্ট ৩.০)-এর নিচে পেলে আবেদন গ্রহণযােগ্য হবে না।
  • মানবিক শাখা (মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডসহ) থেকে আগত ছাত্র/ছাত্রীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (৪র্থ বিষয়সহ) পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০ হতে হবে। তবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০ এর কম হতে পারবে না ।
  • ব্যবসায় শিক্ষা, ডিপ্লোমা-ইন-বিজনেস স্টাডিজ, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স ও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকে আগত প্রার্থীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.০ হতে হবে । মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে জিপিএ ৩.৫ থাকতে হবে ।
  • বিজ্ঞান, মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের বিজ্ঞান, কৃষি বিজ্ঞান এবং গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখা থেকে আগত ছাত্র/ছাত্রীদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক (৪র্থ বিষয়সহ) পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-দ্বয়ের যােগফল ন্যূনতম ৮.৫ হতে হবে। তবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫ এর কম হতে পারবে না ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট মানবন্টন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা MCQ এবং লিখিত উভয় পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা মোট নম্বর হবে ১০০ , তন্মাধ্যে ৬০ নম্বরের MCQ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত অংশ থাকবে। MCQ পরীক্ষা ৪৫ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষা ৪৫ মিনিটের হবে।

MCQ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে এবং তা বিষয়ভিত্তিক সমন্বয় করা হবে। একজন প্রার্থী যে ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিলে তার উপর নির্ভর করবে সে কোন বিভাগ/ইনস্টিটিউট এ ভর্তি হতে পারবে। পদার্থ ও রসায়ন আবশ্যিক সাবজেক্ট, অর্থাৎ অবশ্যই উত্তর করতে হবে। এর সাথে অন্য যেকোন ২ টি সাবজেক্ট সহ মোট ৪ টি সাবজেক্ট এর উপর পরীক্ষা দিতে হবে।

এমসিকিউলিখিত
পদার্থ = ১৫ নম্বর
রসায়ন = ১৫ নম্বর
জীববিজ্ঞান = ১৫ নম্বর
গনিত = ১৫ নম্বর
বাংলা = ১৫ নম্বর
ইংরেজি = ১৫ নম্বর
পদার্থ = ১০ নম্বর
রসায়ন = ১০ নম্বর
জীববিজ্ঞান = ১০ নম্বর
গনিত = ১০ নম্বর
বাংলা = ১০ নম্বর
ইংরেজি = ১০ নম্বর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট মানবন্টন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা মোট ১০০ নম্বরের উপর। এমসিকিউ ৬০ নম্বর ও লিখিত পরীক্ষা ৪০ নম্বর।  এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার জন্য আলাদাভাবে ৪৫ মিনিট বরাদ্দ থাকবে ।

এমসিকিউলিখিত
বাংলা = ১৫ নম্বর
ইংরেজি = ১৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান = ৩০ নম্বর
বাংলা = ২০ নম্বর
ইংরেজি = ২০ নম্বর

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট মানবন্টন

মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরা করা হবে। MCQ ও লিখিত পরীক্ষা মিলে ১০০ নম্বর নির্ধারিত থাকবে এবং অবশিষ্ট ২০ নম্বর মাধ্যমিক পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ ২ দিয়ে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ)  প্রাপ্ত জিপিএ ২ দিয়ে গুন করে এই দুয়ের যোগ ফল ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করে মোট ১২০ নম্বরের উপর শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা তৈরী করা হবে।

এমসিকিউলিখিত
বাংলা = ১২ নম্বর
ইংরেজি = ১২ নম্বর
হিসাব বিজ্ঞান = ১২ নম্বর
ব্যাবসায় নীতি ও প্রয়োগ = ১২ নম্বর
মার্কেটিং / ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং = ১২ নম্বর
অনুবাদ বাংলা থেকে ইংরেজি = ৫ নম্বর
অনুবাদ  ইংরেজি থেকে বাংলা = ৫ নম্বর
বিষয় ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রকাশ (ইংরেজি) = ৫ নম্বর
Precis writing = ৫ নম্বর
সংক্ষিপ্ত রচনা (বাংলা) = ৫ নম্বর
৫ টি আবশ্যিক বিষয় থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর = ১৫ নম্বর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট মানবন্টন

  • ভর্তি পরীক্ষার মোট নম্বরঃ ১০০।
  • সময় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট
  • MCQ -৬০ নম্বর। যেখানে প্রতিটা প্রশ্নের মান ১ এবং প্রতিটা ভুল উত্তরে জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হবে। সময় ৪৫ মিনিট।
  • লিখিত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের হবে এবং সময় থাকবে ৪৫ মিনিট।
এমসিকিউলিখিত
বাংলা = ১৫ নম্বর
ইংরেজি = ১৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান = ৩০ নম্বর
বাংলা = ১৫ নম্বর
ইংরেজি = ১৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান (বিশ্লেষণধর্মী) = ১০ নম্বর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ ইউনিট মানবন্টন

ঢাবি চ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২টি অংশে অনুষ্ঠিত হবে – সাধারণ জ্ঞান ৪০ + অঙ্কন (ফিগার ড্রয়িং) ৬০ = ১০০ নম্বর।

প্রাথমাংশ – সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষাঃ

MCQ পদ্ধতির পরীক্ষায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজীসহ চারুকলার বিভিন্ন বিভাগ সম্পর্কিত বা বিষয় ভিত্তিক প্রশ্ন, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সমসাময়িক ঘটনাবলি প্রভৃতি বিষয় প্রশ্ন থাকবে।

‘সাধারণ জ্ঞান’ – পরীক্ষায় প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নাম্বার কর্তন করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট আসন সংখ্যা

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটে আসন সংখ্যা ছিল মোট ১৮১৫ টি। ক ইউনিটে ৫ টি অনুষদ ও ৫ টি ইন্সটিটিউটের অধীনে মোট ৩২ টি বিষয় রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিটের অনুষদগুলো হচ্ছে–

  1. বিজ্ঞান অনুষদ

  2. জীববিজ্ঞান অনুষদ

  3. ফার্মেসি অনুষদ

  4. আর্থ এন্ড এনভায়রমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদ

  5. ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক ইউনিটের ইন্সটিটিউটগুলো হচ্ছে–

  1. তথ্য প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট

  2. পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইন্সটিটিউট

  3. খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট

  4. লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট

  5. শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক ইউনিট বিষয় ভিত্তিক আসন সংখ্যা

পদার্থবিজ্ঞান১৪০
গনিত১৩০
পরিসংখ্যান৮৮
রসায়ন৯০
ফলিত গনিত৭০
মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ ১২০
প্রাণিবিজ্ঞান১০০
মনোবিজ্ঞান৫০
মৎস বিজ্ঞান৪০
উদ্ভিদবিজ্ঞান৭৫
প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান৬০
অনুজীব বিজ্ঞান৪০
জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি১৭
দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা৩০
ভূতত্ত্ব৫০
ভূগোল ও পরিবেশ ৫০
সমুদ্রবিজ্ঞান ২৫
আবহাওয়াবিজ্ঞান ২০
ফার্মেসি ৬৫
লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং৫০
ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং৫০
লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিং৫০
পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান৩৫
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং৩০
ফলিত পরিসংখ্যান৫০
জীববিজ্ঞান বিষয়ক আই.ই.আই২৫
ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ক আই.ই.আই৩০
ইলেকট্রিকাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং৭০
কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং৬০
ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল৬০
নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং২৫
রোবটিক্স ও মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং২০
 মোট আসন১৮১৫



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ ইউনিটে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী মোট আসন ছিল ২,৩৭৮ টি। তবে সার্কুলারে কোন বিষয়ে কয়টি করে আসন বরাদ্দ আছে সেটা উল্লেখ করা হয়নি। খ ইউনিটে মোট বিষয় রয়েছে ৪৪ টি। নিচের ছকে সাবজেক্টগুলোর তালিকা দেওয়া হল–

ক্রমিকবিষয়
০১ইংরেজি
০২বাংলা
০৩দর্শন
০৪আরবি
০৫উর্দু
০৬ইতিহাস
০৭সংস্কৃত
০৮ইসলামিক স্টাডিজ
০৯পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ
১০ফারসি ভাষা ও সাহিত্য
১১বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি
১২ভাষাবিজ্ঞান
১৩নৃত্যকলা
১৪সংগীত
১৫থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ
১৬তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা
১৭ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
১৮গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
১৯সমাজ বিজ্ঞান
২০পপুলেশন সায়েন্সেস
২১নৃবিজ্ঞান
২২অর্থনীতি
২৩লোক প্রশাসন
২৪রাষ্ট্রবিজ্ঞান
২৫টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি
২৬উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ
২৭জাপানিজ স্টাডিজ
২৮কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস
২৯ক্রিমিনোলজি
৩০শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন
৩১প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ
৩২উন্নয়ন অধ্যয়ন
৩৩আইন
৩৪ভূগোল ও পরিবেশ
৩৫মনোবিজ্ঞান
৩৬সমাজকল্যাণ
৩৭স্বাস্থ্য অর্থনীতি
৩৮শিক্ষা ও গবেষণা
৩৯ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট
৪০ইংরেজি ভাষা ও অন্যান্য
৪১ফ্রেঞ্চ ভাষা ও সংস্কৃতি
৪২জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি
৪৩চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি
৪৪আন্তর্জাতিক সম্পর্ক



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ ইউনিট আসন সংখ্যা

গ ইউনিটে শুধুমাত্র বানিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাই পরীক্ষা দিতে পারবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন চার ইউনিটের মধ্যে গ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দেয় কম। কিন্তু গ ইউনিটে আসন সংখ্যাও অন্যান্য ইউনিটের চেয়ে কম। গ ইউনিটে আসন সংখ্যা ১২৫০ টি।

গ ইউনিট ব্যবসা শিক্ষা অনুষদে মোট সাবজেক্ট আছে মাত্র ৯ টি। কিন্তু ৮ টি সাবজেক্টেই আসন সংখ্যা ১০০ এর উপরে। শুধুমাত্র অর্গানাইজেশন স্ট্র‍্যেটেজি এন্ড লিডারশীপ বিষয়ে আসন সংখ্যা তুলনামূলক কম, মাত্র ৩৫ টি।

বিষয়আসন
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস১৮০
ফিন্যান্স১৮০
ম্যানেজমেন্ট১৮০
মার্কেটিং১৮০
ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুইরেন্স১৫০
ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস১১৫
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস১১৫
টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট১১৫
অর্গানাইজেশন স্ট্র‍্যেটেজি এন্ড লিডারশীপ৩৫
মোট১২৫০



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট হচ্ছে ঘ ইউনিট। এই ইউনিটে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক তিন বিভাগের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘ ইউনিটে সবচেয়ে বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করে এবং এই ইউনিটে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটে আসন সংখ্যা মোট ১৫৭০ টি। কিন্তু এই আসন আবার তিন বিভাগের জন্যে ভাগ করে দেওয়া আছে। যেখানে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য সবচেয়ে বেশি আসন আছে, বাণিজ্য বিভাগের জন্যেও কিছু আসন আছে। কিন্তু মানবিক বিভাগের জন্য আসন খুবই কম, মাত্র ৫০ এর কিছু অধিক আসন বরাদ্দ আছে।

বিভাগআসন
বিজ্ঞান১১১৭
বাণিজ্য৪০০
মানবিক৫৩
মোট১৫৭০



ঘ ইউনিটে অনুষদ আছে ৫ টি এবং ইন্সটিটিউট আছে ৫ টি। আর মোট বিষয়ের সংখ্যা ৫৫ টি। অনুষদগুলো হচ্ছে–

  1. আইন অনুষদ

  2. কলা অনুষদ

  3. সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ

  4. জীববিজ্ঞান অনুষদ

  5. আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদ

  6. বিজ্ঞান অনুষদ

  7. ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ

ঘ ইউনিট ভুক্ত ইন্সটিটিউটগুলো হচ্ছে–

  1. সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট

  2. স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট

  3. শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট

  4. ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট

  5. আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট

ঘ ইউনিটে বিজ্ঞান বিভাগের আসন সবচেয়ে বেশি। মোট আসন ১১১৭ টি। চলো দেখে নেই, কোন বিষয়ে বিজ্ঞান বিভাগের জন্য কয়টি করে আসন বরাদ্দ আছে।

বিষয়ের নামআসন সংখ্যা
ইংরেজি২০
বাংলা২৫
আরবি৩০
সংস্কৃত২০
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য২০
পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ১৮
উর্দু৩০
ইতিহাস২৩
দর্শন২৫
ইসলামিক স্টাডিজ২৫
থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ
তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা১৫
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি২৫
নৃত্যকলা১০
ভাষাবিজ্ঞান২০
বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি৩৫
সংগীত২০
অর্থনীতি৭০
রাষ্ট্রবিজ্ঞান৮০
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক৪৫
সমাজ বিজ্ঞান৩৫
শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন২০
উন্নয়ন অধ্যয়ন১০
টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি১৫
উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ২০
নৃবিজ্ঞান২০
লোক প্রশাসন৩৫
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা২৫
পপুলেশন সায়েন্সেস১৩
প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ১৫
ক্রিমিনোলজি৩০
কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারস২০
জাপানিজ স্টাডিজ৩৫
আইন৪৩
সমাজকল্যাণ১২
স্বাস্থ্য অর্থনীতি৩০
ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট২৫
শিক্ষা ও গবেষণা৪০
ইংরেজি ভাষা ও অন্যান্য১০
জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি১০
চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি১০
ফ্রেঞ্চ ভাষা ও সংস্কৃতি১০
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস১০
ফিন্যান্স১০
মার্কেটিং১০
ম্যানেজমেন্ট১০
ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
অর্গানাইজেশন স্ট্র‍্যেটেজি এন্ড লিডারশীপ১৫
ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুইরেন্স
টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
মোট১১১৭



আবার বাণিজ্য বিভাগের জন্য বিষয় আছে ৪২ টি। আর আসন বরাদ্দ আছে ৪০০ টি। নিচে দেখে নাও, কোন সাবজেক্টে কয়টি করে আসন আছে–

বিষয়ের নামআসন সংখ্যা
ইংরেজি
বাংলা
শিক্ষা ও গবেষণা২০
সংস্কৃত১০
ফারসি ভাষা ও সাহিত্য১০
পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ১২
উর্দু২০
ইতিহাস
দর্শন
ইসলামিক স্টাডিজ১৫
থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ
তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি১৫
নৃত্যকলা১০
ভাষাবিজ্ঞান১৫
বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি
সংগীত১০
অর্থনীতি
রাষ্ট্রবিজ্ঞান২০
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
সমাজ বিজ্ঞান
শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন১০
উন্নয়ন অধ্যয়ন
টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি
উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ
নৃবিজ্ঞান
লোক প্রশাসন২৫
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
মনোবিজ্ঞান৩০
প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ
ক্রিমিনোলজি১০
ভূগোল ও পরিবেশ২০
জাপানিজ স্টাডিজ১০
আইন২২
সমাজকল্যাণ
ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট
ফ্রেঞ্চ ভাষা ও সংস্কৃতি
চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি
ইংরেজি ভাষা ও অন্যান্য
জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতি
মোট৪০০



এবার আসি মানবিক বিভাগ নিয়ে। মানবিক বিভাগের জন্য ঘ ইউনিটে মাত্র ৫৩ টি আসন আছে। আর তারা শুধুমাত্র ১২ টি বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে। দেখে নেই, মানবিকের জন্য ঘ ইউনিটে কয়টি করে আসন বরাদ্দ আছে–

বিষয়ের নামআসন সংখ্যা
একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস
ফিন্যান্স
মার্কেটিং
ম্যানেজমেন্ট
অর্গানাইজেশন স্ট্র‍্যেটেজি এন্ড লিডারশীপ
টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুইরেন্স
ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস
গনিত
পরিসংখ্যান১৬
মোট৫৩



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাবি চ ইউনিট আসন সংখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ ইউনিটে আসন আছে মোট ১৩৫ টি। আর এই ইউনিটেই সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে।

এই ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চারুকলা বিষয়ক সাবজেক্টে পড়ার সুযোগ পাওয়া যায়। নিঃসন্দেহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ দেশের সেরা চারুকলা প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের প্রখ্যাত সকল চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এই অনুষদের সাথে যুক্ত ছিলেন। চারুকলা অনুষদের আছে নিজস্ব একটি ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস।

বিষয়

আসন

অংকন ও চিত্রায়ণ

৩০

গ্রাফিক্স ডিজাইন

২৫

শিল্পকলার ইতিহাস

১৮

প্রাচ্যকলা

১৫

কারুশিল্প

১৫

প্রিন্টমেকিং

১২

মৃৎশিল্প

১০

ভাস্কর্য

১০

মোট

১৩৫

du admission 2021

du 2021

du 2021

ভর্তি প্রস্তুতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় খ ইউনিট ভর্তি প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন জন বিভিন্ন রকম তথ্য দিলেও তা চান্স পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। কিংবা অধিকাংশই প্রশ্ন এনালিসিস ছাড়াই তা দিয়ে থাকে। আজকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট এর পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুনি নিয়ে আলোচনা করব। কোন পরীক্ষার্থী যদি আমাদের দেয়া টিপসগুলো ভালো করে ফলো করে তাহলে তার চান্স পাওয়া এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

যেভাবে পড়লে ঢাবি বি ইউনিটে চান্স সম্ভব

  • STEP 1: ২০১০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাবি বি ইউনিট প্রশ্নব্যাংক ও ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ঢাবি ডি ইউনিট প্রশ্নব্যাংক ব্যাখ্যা সহ সমাধান করতে হবে।
  • STEP 2: নিজে নিজে প্রশ্ন এনালাইসিস করে এমন কিছু টপিক নির্ধারণ করতে হবে যেগুলো থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে। এবং সেট টপিক গুলো জোর দিয়ে পড়তে হবে।
  • STEP 3: নিয়মিত ১০ ঘন্টা রুটিন মাফিক পড়াশোনা করতে হবে। এর মাঝে ৭ ঘন্টা এমসিকিউ এর জন্য ও বাকী ৩ ঘন্টা রিটেন এর জন্য। পড়ার সময় হিসেবে সকালে ৪ ঘন্টা , বিকেলে ২ ঘন্টা ও রাতে ৪ ঘন্টা ভাগ করে পড়তে পার।

শেষ ১৫ দিনের প্রস্তুতি

  • প্রতিদিন প্রশ্নব্যাংক অংশ রিভিশন দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রশ্নব্যাংক এর উপর পরীক্ষা দিতে হবে। দেখে দেখে সমাধান নয়।
  • ১৫ দিনের প্রথম ৮ দিনে প্রত্যেক বিষয় রিবিশন দিতে হবে। এক্ষেত্রে ১ টি বিষয়ের জন্য সর্বোচ্চ ২ দিন সময় ব্যায় করা যাবে।
  • ৯ম ও ১০ম দিন প্রত্যেক বিষয়ের যে অংশে দুর্বলতা আছে বা সমস্যা রয়েছে সেগুলো সমাধান করতে হবে এবং উক্ত ২ দিনের মাঝেই সব দূর্বলতাগুলো কাটিয়ে নিতে হবে।
  • ১১ থেকে ১৩ নং দিন পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইনাল মডেল টেস্ট দিতে হবে এবং সময় মেইন্টেইন কিভাবে করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। এর সাথেসাথে বইগুলো পুনরায় রিভিশন দিতে হবে।
  • ১৪ তম দিন বই এর দাগানো বা গূরুত্বপূর্ণ অংশগুলো বার বার চোখ বুলিয়ে নিতে হবে।
  • ১৫ তম দিন নিজেকে শান্ত রাখতে হবে, বেশি চাপ না নিয়ে যা পড়েছো সেগুলোই মনে করতে হবে। নিজেকে টেনশন মুক্ত রেখে পরীক্ষা দিতে যেতে হবে।

ঢাবি খ ইউনিটে বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ঢাবি বাংলা প্রস্তুতি:

উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা পাঠ্য বইটি প্রথম থেকে শেষ পযর্ন্ত লেখক পরিচিতিসহ মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।

গ)উক্ত বইয়ের আবশ্যিক গল্প ও কবিতায় ব্যবহৃত গুরুত্বর্পূণ লাইনগুলো চিহিৃত করতে হবে এবং সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

ঘ)পঠিত বিষয়ে বিদেশী শব্দ এবং প্রবাদ প্রবচনগুলো উৎসসহ ভালভাবে জানতে হবে।

ঙ)বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে ভাল জ্ঞান অর্জন করতে হবে।

চ)উচ্চ মাধমিক পর্যায়ে পঠিত পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত সকল লেখকের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ এবং তাদের প্রকাশিত গ্রন্থাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।

ছ)বাংলা বিষয়ে বেশি প্রশ্ন থাকে ব্যাকরণ অংশ থেকে। ব্যাকরণ সহজে আয়ত্ত করার জন্য ডঃ মুনির চৌধুরী লিখিত নবম-দশম শ্রেণীর বোড কর্তৃক নির্ধারিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ বইটি প্রথম থেকে শেষ পযর্ন্ত প্রতি লাইন ভালোভাবে পড়তে হবে। তাহলে ব্যাকরণে কোন সমস্যা থাকবে না বলে আশা করা যায়।

ঢাবির খ ইউনিটে চান্স পাওয়া তাহিয়া তুন নুর এর প্রস্তুতিমূলক টিপস

প্রিয় ভর্তিচ্ছু ভাই-বোনেরা, শুভেচ্ছা নিও। ভর্তিযুদ্ধে টিকে থেকে নিজের পরিচয় তৈরীর জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। হাতে সময় খুবই কম। এই কম সময়ের মধ্যেও কিভাবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া যায় সে বিষয়েই আজকে আলোচনা করবো।

বাংলা
বাংলায় ১৫টি প্রশ্নের জন্য ১৫ নম্বর এবং পাস মার্ক ন্যূনতম ৫। ‘খ’ ইউনিটে প্রশ্ন বরাবরই একটু বইয়ের ভেতর থেকে আসে কিছুটা অনুধাবনমুলক ধরনের। তাই ভালো করতে পাঠ্যবইয়ের বিকল্প নেই। এই মুহুর্তে, প্রত্যেকটা গদ্য, পদ্য ভালোভাবে রিভাইস দিতে হবে। যেহেতু সময় কম তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ২টি গদ্য-পদ্য রিডিং পড়ে শব্দার্থ-টিকা ও সংশ্লিষ্ট এমসিকিউ পড়ে ফেলতে হবে। কোন টপিক বিস্তারিত পড়ার সময় আগেই শেষ তাই যত দ্রুত সম্ভব এমসিকিউ সহ টপিকটা আয়ত্ত করার চেষ্টা করো। লেখক পরিচিতি, পাঠ পরিচিতি থেকে প্রশ্ন থাকবে তাই এগুলোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশের জন্য একটি নোট খাতা বানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাল ও চুম্বক তথ্যগুলো লিখে ফেললে ভালো হয় যাতে পরীক্ষার আগের দিন এক নজর দেখলেই মনে পড়ে। নাটক-উপন্যাস থেকে ২/৩টা প্রশ্ন হতে পারে। তাই এগুলোর ভূমিকা অংশ ও প্রত্যেকটি চরিত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। ভিতরের ছোট ছোট তথ্যগুলোর জন্যও আলাদা  নোট রাখা জরুরি। সে ক্ষেত্রে পৃষ্ঠাভিত্তিক নোট করা যেতে পারে আবার বইয়ের পাশে পেন্সিল দিয়ে তথ্যগুলো লিখে রাখতে পারো।এগুলো সবই তোমাদের সময় বাঁচাবে বলে আশা করি। ব্যাকরণের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিক থেকে প্রতি বছরই প্রশ্ন আসে। সমাস, বাগধারা, সন্ধি ও এককথায় প্রকাশ অন্যতম। এগুলোর উপরে ভালো দখল রাখতে হলে ৯ম-১০ম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার  ব্যাকরণ ও নির্মিতি’ নামক বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বই থেকে ভর্তি পরীক্ষার টপিকগুলোর বেসিক ধারণা নেওয়ার সাথে সাথে উদাহরণগুলো ও পড়তে হবে  আর মনে রাখতে হলে লিখে লিখে পড়বে যা লিখিত পরীক্ষায়ও কাজে আসবে ইনশাআল্লাহ।

ইংরেজি
ইংরেজিতে ‘খ’ ইউনিটের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক খারাপ করে। তার কারণ হতে পারে এই বিষয়ের প্রতি ভীতি। তবে, ইংরেজিতে ভয়ের কোন কারণ নেই। মাধ্যমিকে টপিকগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে থাকলেও ভর্তি পরীক্ষার সময় সেগুলোই বিস্তারিত আকারে থাকে। সাথে নতুন কিছু যুক্ত হলেও খুব কঠিন কিছু না। তবে প্রথমেই বলি, ২০১৯-২০ সেশনে, পাঠ্যবইয়ের কবিতা ও Passage থেকে প্রশ্ন হয়েছিলো। এ বছর ও ঢাবি পাঠ্যবইয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিবে বলেই জানা যায়। তাই কবিতার চুম্বক তথ্যগুলো নোট খাতায় বা বইয়ের পাশে লিখে রাখতে পারলে ভালো। কবিতার লাইনের ব্যাখ্যা বুঝে তথ্য পড়তে হবে। Passage এর অর্থ বুঝে শব্দার্থ ও Synonym-Antonym একসাথেই পড়ে ফেলা যায় যা লিখিত অংশেও ভালো করতে সাহায্য করবে। এবার গ্রামার অংশ বলতে গেলে Right form of Verb, Conditional sentence, Voice-Narration, Verb-Adverb, Tense, Article এর সাথে Subject-Verb agreement ও আসতে পারে। তাই এগুলো বেশি করে অনুশীলন করতে হবে। সে ক্ষেত্রে Cliff’s TOEFL ও Barron’s TOEFL থেকে অনুশীলন করা যেতে পারে। অনেকের প্রশ্ন থাকে Vocabulary মনে থাকেনা। এটা খুবই স্বাভাবিক তবে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।  এ ক্ষেত্রে বইয়ের Vocabulary গুলো আগে পড়তে হবে যেনো আসলে মিস না হয়। বাইরের গুলো আমাদের কারো পক্ষেই জানা সম্ভব না তবে, বিগত বছরের প্রশ্নের সবগুলো Vocabulary শিখে ফেললে আর Vocabulary এর সাগরে ডুবে যাবার ভয় থাকবে না আবার কমন পেয়েও যেতে পারো। Vocabulary মনে রাখার জন্য রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ও সকালে ঘুম থেকে উঠে কমপক্ষে, ১৫/২০ টা করে নতুন শব্দ অর্থ ও Synonym-Antonym সহ পড়বে কারণ, এই সময়ের পড়া মনে থাকে ভালো। প্রশ্ন খুবই বেসিক থেকে হয় তাই ভয় না পেয়ে অনুশীলন চালিয়ে গেলে প্রশ্ন দেখেই বুঝে যাবে এটা কোন টপিক থেকে এসেছে। আর ইংরেজিতেও ১৫টি প্রশ্নে ১৫ নম্বর আর পাস মার্ক ৫।

সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞানে মোট নম্বর থাকবে ৩০ আর পাস মার্ক ১০। এখানে ২ টি অংশ থাকে বাংলাদেশ এবং সমগ্র বিশ্ব। খ ইউনিটে গতানুগতিক ধারার প্রশ্ন বা বেসিক থেকে আসলেও গত বছরে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে অধিক প্রশ্ন আসতে দেখা গিয়েছে। তাই এই বছরেও সাম্প্রতিক থেকে বেশি প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে হলে প্রত্যেক মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স সংগ্রহ করতে হবে এবং প্রথম পৃষ্ঠা বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সূচিপত্র থেকে ঘটনার এক লাইনে ধারণা নিতে হবে (যাকে বলে At a Glance)। ভিতরে এখন বিস্তারিত পড়ার সময় নেই কিন্তু তারিখ ও স্থানগুলো মনে রাখা জরুরি তাই এগুলো শর্ট নোট করে ফেলো। সাম্প্রতিক ঘটনার ক্ষেত্রে আরো ভালো দখল নিতে পারো প্রতিদিন কমপক্ষে ১ ঘন্টা খবর দেখে বা পত্রিকা পড়ে। পরীক্ষার কিছুদিন আগের পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লিখে রাখবে খাতায় ও আগের দিন দেখে যাবে। এবার আসি গতানুগতিক বা বেসিক ধারার প্রশ্নে। এই প্রশ্নগুলোর জন্য বিগত বছরের আসা প্রশ্নগুলো বার বার পড়তে হবে। সে ক্ষেত্রে কমন পেতেও পারো। আর বাংলাদেশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিক হলো নদী, স্থাপনা, মানচিত্র, সংবিধানের কিছু ধারা, জাতীয় প্রতীক, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, চুক্তি, কালজয়ী কিছু বই ও লেখক।

আর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও কারেন্ট এফেয়ার্স পড়তে হবে আর গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো হলো বিশ্বযুদ্ধ, আন্তর্জাতিক সংগঠন (বিশেষ করে বাংলাদেশ যেগুলোর সদস্য), শান্তি চুক্তি, জাতিসংঘ ও সাথে মহাসচিবের নাম, দেশ-মুদ্রা-রাজধানী, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বিভিন্ন দেশের ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী। সাধারণ জ্ঞানে মানবিক বিভাগে উচ্চমাধ্যমিকে যার যে বিষয় ছিলো অর্থাৎ, অর্থনীতি, পৌরনীতি, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, মনোবিজ্ঞান, ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস, যুক্তিবিদ্যা, ভূগোল এগুলোর বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব, বিষয়ের জনক, বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অবদানকারীদের নাম প্রাধান্য পাবে। আইসিটির কিছু বেসিক ধারণাও রাখতে হবে। বাজারে অনেক মোটা মোটা বই পাওয়া যায় সাধারণ জ্ঞানের উপর।

এসব দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই যে কিভাবে শেষ করবো? সব তো পড়তে পারলাম না। মনে রাখবে এটি ভর্তি পরীক্ষা। সব পড়তে হবেনা আর সব আসবেও না। গুরুত্বপূর্ণ টপিক থেকেই প্রশ্ন হবে। আর একটা প্রশ্নব্যাংক কিনে নিজে নিজে অনুশীলন করতে পারো প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য। এটি আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এভাবে প্রস্তুতি নিতে পারো এই কয়দিনের জন্য।

এখন ঘড়ি ধরে নয় বরং পড়া না হওয়া পর্যন্ত পড়তে থাকো। অনুশীলন ধরে রাখার ক্ষেত্রে যা পড়ছো লিখে রাখার চেষ্টা করো। শরীরের যত্ন নাও আর অবশ্যই সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করো। মেধাবী হলেই হবে না তোমাকে হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী তাহলেই সফলতা আসবে। সর্বোপরি, তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

প্রশ্নব্যাংক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৭-২০০৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৮-২০০৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০০৯-২০১০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১০-২০১১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১১-২০১২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১২-২০১৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৩-২০১৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৪-২০১৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৫-২০১৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৬-২০১৭

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৭-২০১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০১৯-২০২০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খ ইউনিট প্রশ্ন ও সমাধান ২০২০-২০২১

DU C Unit Question Bank 2019-20

Download

DU C Unit Question Bank 2018-19

Download

DU C Unit Question Bank 2017-18

Download

DU C Unit Question Bank 2016-17

Download

DU C Unit Question Bank 2015-16

Download

DU C Unit Question Bank 2014-15

Download

DU C Unit Question Bank 2013-14

Download

DU C Unit Question Bank 2012-13

Download

DU C Unit Question Bank 2011-12

Download

DU C Unit Question Bank 2010-11

Download

DU D Unit Question Bank 2019-20

Download

DU D Unit Question Bank 2018-19

Download

 

DU D Unit Question Bank 2017-18

Download

DU D Unit Question Bank 2016-17

Download

DU D Unit Question Bank 2015-16

Download

 

DU D Unit Question Bank 2014-15

Download

 

DU D Unit Question Bank 2013-14

Download

DU D Unit Question Bank 2012-13

Download

DU D Unit Question Bank 2011-12

Download

সর্বশেষ আপডেট

Welcome Back!

Login to your account below

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.